সাদিক সাকলাইন সৌরভ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাদিক সাকলাইন সৌরভ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৩১ অক্টোবর ২০১২

সাদিক সাকলাইন সৌরভ

কেউ নেই তবু কেউ আছে

কেউ নেই তবু আচানক দেখা হয়ে যাবে কারো সাথে
 হয়তোবা উল্টোদিক থেকে আসা রিকশায় বসা
 ঠিক সায় দেবে কেউ মৃদু হেসে কোনো কোনোদিনে

 একমুখী হয়ে যাবে হয়তো চার পা তারপর থেকে।
 এমনও হতে পারে- অপ্রত্যাশিত বৃষ্টির বিপরীতে
 অপ্রস্তুত কাউকে দেখে বখাটে মেঘকে বকে দেবো কয়েক ছত্র
 সাতপাঁচ না ভেবেই সে লুফে নেবে আমার একহাত হৃদপিন্ড!
 আমার বেহাত বসন্তসমূহ নিরুত্তাপ শীতের পাঁজর ভেঙে
 ঠিকই ফিরে আসবে, গুটিগুটি পায়ে এসে লুটোপুটি খাবে
ঝুলবারান্দার টাইলসে যেনো নৃত্যপ্রাণ কোমল চড়ুই।

 নীলিমায় ওড়া পাখি নাকি নীল দেখে না আঁখিতে
 কমপক্ষে তার মতোন বর্ণান্ধ নই আমি
 জলের মতো স্পষ্ট দেখতে পাই পারিপার্শ্বিকতা
 কেউ নেই তবু আমাকে নিয়ে ভাবার মতো কেউ আছে
 হয়তো নেপথ্যে কিংবা বিগলিত ক্লেদের বিজন সৈকতে
 পায়চারিরত সে একজন কেউ দূরবর্তীনি।

৩১ আগস্ট ২০১২

সাদিক সাকলাইন সৌরভ

পরিবর্তন

সেই পুরনো স্বভাবটা আমার
কাগজ কলম হাতে পেলেই
হোক যেমন তেমন একজোড়া ভ্রুর নিচে
দুটো খোলা চোখ আঁকা
এখনো যায়নি।

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া আমার
চিরচেনা অভাবটা আজও লেগে রয়েছে
ঘামের গন্ধের মতো বিচ্ছিরি ভাবে অস্তিত্ব জুড়ে
মসৃণ কাঠের পিঠে খোদাই করা
শিল্পীর বিমূর্ত কারুকাজ
নন্দিত নারীর পরনের মসলিন
রঙিন পুঁতির, মৃৎপাত্রের উয়ারি-বটেশ্বরী
এসবের চেয়ে টিনের থালায় একমুঠো সাদাভাত
বড়ো বেশি প্রিয়।

আবছা আবছা মনে পড়ে কবে একদিন
বলেছিলে মানুষ হিসেবে আমি লোভী
হলে হতেও পারে
তবু বড়ো কিছু পাবার বাসনা
বড়ো হবার ইচ্ছেকে লোভ বলা সমীচীন নয়
তা না হলে ক্রমশই মানুষ গুটিয়ে যেতে যেতে
একসময় সে অপদার্থে পরিণত হবে।

তবু আমি অপদার্থ হয়েই, বিশ্বাস করো
আমি থাকতে চেয়েছি সাদামাটা
কিন্তু প্রতিনিয়ত পাল্টে যায় কতোকিছু
সময় পাল্টায়, ঋতুর পালাবদল হয়
পুরনো পাল পাল্টিয়ে নৌকোয় লাগে নতুন পাল
পাল্টানোর এই ধারাবাহিকতায়
কিছু পাল্টাতে হবে বলেই
আমিও পাল্টে নিলাম
চশমার পাওয়ার।